বাংলাদেশের সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক ট্রান্সফার সাপোর্ট করে 87bajee। দ্রুত, নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত পেমেন্ট অভিজ্ঞতা।
87bajee-এ যেসব পদ্ধতিতে টাকা জমা ও তোলা যায়
বাংলাদেশের এক নম্বর মোবাইল ব্যাংকিং — ডিপোজিট ও উইথড্র উভয়ই তাৎক্ষণিক।
ডাক বিভাগের নগদ — সারা দেশে সহজলভ্য, ডিপোজিট প্রায় তাৎক্ষণিক।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট সার্ভিস — নির্ভরযোগ্য ও সারাদেশে পরিচিত।
ব্র্যাক, ডাচ-বাংলা, ইসলামী ব্যাংকসহ প্রধান সব ব্যাংকে সরাসরি ট্রান্সফার।
যেকোনো পদ্ধতিতে টাকা জমা দিতে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন
লগইন করার পর উপরের ডানদিকের "ডিপোজিট" বাটনে ক্লিক করুন। ক্যাশিয়ার পেজ খুলবে।
পেমেন্ট পদ্ধতির তালিকা থেকে বিকাশ আইকনে ক্লিক করুন। ডিপোজিট পরিমাণ লিখুন।
স্ক্রিনে 87bajee-এর মার্চেন্ট নম্বর ও একটি ইউনিক রেফারেন্স নম্বর দেখাবে। রেফারেন্স নম্বরটি সঠিকভাবে কপি করুন — এটা সবচেয়ে জরুরি।
বিকাশ অ্যাপে "পেমেন্ট" সিলেক্ট করুন। মার্চেন্ট নম্বর দিন, রেফারেন্স ঘরে রেফারেন্স নম্বর দিন, পরিমাণ দিন এবং পিন দিয়ে নিশ্চিত করুন।
বিকাশ থেকে সফলতার বার্তা আসলে 87bajee ওয়ালেটে ২–৫ মিনিটে ব্যালেন্স যোগ হবে।
87bajee অ্যাকাউন্টে লগইন করে ডিপোজিট অপশনে যান।
পেমেন্ট পদ্ধতিতে নগদ সিলেক্ট করুন এবং পরিমাণ লিখুন।
87bajee-এর নগদ নম্বর ও রেফারেন্স কোড স্ক্রিনে দেখাবে। কোডটি কপি করুন।
নগদ অ্যাপে "সেন্ড মানি" বা "পেমেন্ট"-এ নম্বর ও রেফারেন্স দিয়ে পাঠান।
২–৫ মিনিটের মধ্যে 87bajee ওয়ালেটে টাকা যোগ হয়ে যাবে।
87bajee ওয়ালেটে ডিপোজিট চাপুন, পেমেন্ট পদ্ধতিতে রকেট বেছে নিন।
87bajee-এর রকেট নম্বর ও রেফারেন্স কোড স্ক্রিনে দেখাবে।
USSD কোড বা অ্যাপ যেকোনোভাবে পাঠাতে পারবেন। রেফারেন্স নম্বর অবশ্যই দিন।
রকেটে ৩–৮ মিনিট লাগতে পারে। 87bajee ওয়ালেটে ব্যালেন্স যোগ হলে SMS আসবে।
ক্যাশিয়ারে ব্যাংক ট্রান্সফার বেছে নিন। আপনার ব্যাংকের নাম সিলেক্ট করুন।
87bajee-এর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, রাউটিং নম্বর ও রেফারেন্স কোড নোট করুন।
আপনার ব্যাংকের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে ফান্ড ট্রান্সফার করুন। NPSB ট্রান্সফার সবচেয়ে দ্রুত।
ক্যাশিয়ারে ট্রান্সকশন ID বা রেফারেন্স নম্বর দিয়ে সাবমিট করুন। ১৫–৬০ মিনিটে ব্যালেন্স যোগ হবে।
87bajee-এ জেতা টাকা তোলা খুবই সরল। যাচাইকৃত অ্যাকাউন্টে সাধারণত ১৫–৩০ মিনিটে উইথড্র সম্পন্ন হয়।
ওয়ালেট থেকে "উইথড্র" বা "টাকা তুলুন" অপশনে যান।
বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক — যেটায় তুলবেন সেটা সিলেক্ট করুন এবং পরিমাণ দিন।
আপনার বিকাশ/নগদ নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন। অবশ্যই অ্যাকাউন্টে নিবন্ধিত নম্বর ব্যবহার করুন।
তথ্য ঠিক থাকলে "সাবমিট" চাপুন। অনুরোধ প্রক্রিয়ায় চলে যাবে।
যাচাইকৃত অ্যাকাউন্টে বিকাশ ও নগদে ১৫–৩০ মিনিট, ব্যাংকে ২–৪ ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়।
অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন আগেই সম্পন্ন রাখুন। জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি আপলোড করলে ভেরিফিকেশন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হয়ে যায়। একবার ভেরিফাইড হলে প্রতিটি উইথড্র অনেক দ্রুত প্রক্রিয়া হয়।
| পদ্ধতি | ডিপোজিট সময় | উইথড্র সময় | সর্বনিম্ন | চার্জ |
|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | ২–৫ মিনিট | ১৫–৩০ মিনিট | ৳৫০০ | বিনামূল্যে |
| নগদ | ২–৫ মিনিট | ১৫–৩০ মিনিট | ৳৫০০ | বিনামূল্যে |
| রকেট | ৩–৮ মিনিট | ২০–৪৫ মিনিট | ৳৫০০ | বিনামূল্যে |
| ব্যাংক | ১৫–৬০ মিনিট | ২–৪ ঘণ্টা | ৳১,০০০ | বিনামূল্যে |
অনলাইনে টাকা পাঠানো নিয়ে অনেকের মনেই একটু দ্বিধা কাজ করে — এটা স্বাভাবিক। 87bajee এই বিষয়টা বুঝেই তাদের পেমেন্ট সিস্টেম এমনভাবে তৈরি করেছে যেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষও সহজে ব্যবহার করতে পারেন। বিকাশ বা নগদ ব্যবহার করলে যতটুকু সহজ মনে হয়, 87bajee-এ পেমেন্ট করাও সেরকমই সহজ।
বিকাশ দিয়ে ডিপোজিট করা নিয়ে কথা বললে — এটাই 87bajee-এর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পেমেন্ট পদ্ধতি। বাংলাদেশে প্রায় সবার হাতেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে এবং পরিচিত থাকায় ভুল করার সম্ভাবনা কম। মার্চেন্ট পেমেন্টের মতো করেই কাজ করে — শুধু পার্থক্য হলো রেফারেন্স ঘরে 87bajee-এর দেওয়া কোডটা দিতে হয়। এই কোডটাই সিস্টেম বলে দেয় কার ওয়ালেটে ব্যালেন্স যোগ করতে হবে, তাই এটা সঠিক না হলে ডিপোজিট আটকে যায়।
নগদ ব্যবহারকারীদের জন্যও অভিজ্ঞতা প্রায় একই রকম। নগদের একটা সুবিধা হলো ইউএসএসডি কোড দিয়েও পেমেন্ট করা যায়, তাই স্মার্টফোন না থাকলেও সমস্যা নেই। রকেটও একইভাবে কাজ করে।
যারা বড় অঙ্কে লেনদেন করেন তাদের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার সবচেয়ে উপযুক্ত। 87bajee-এ ব্যাংক ট্রান্সফারে একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৳৫ লাখ পর্যন্ত ডিপোজিট করা যায়। NPSB (ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ) ব্যবহার করলে ট্রান্সফার অনেক দ্রুত হয় — মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মতো না হলেও ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে হয়ে যায়।
উইথড্র করার ক্ষেত্রে একটা বিষয় সবার আগে জানা দরকার — অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন। 87bajee-এ প্রথমবার উইথড্র করার আগে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ছবি আপলোড করতে হয়। এটা শুনতে ঝামেলার মনে হতে পারে কিন্তু এটা আসলে আপনার নিজের সুরক্ষার জন্য। ভেরিফিকেশন মানে হলো অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবে না। একবার ভেরিফিকেশন হয়ে গেলে পরের প্রতিটি উইথড্র অনেক দ্রুত হয়।
87bajee-এর পেমেন্ট সিস্টেম একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখে — যে নম্বর বা অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট করা হয়েছে, উইথড্রও সেই একই নম্বরে করা সবচেয়ে ভালো। তৃতীয় পক্ষের অ্যাকাউন্টে উইথড্র সাধারণত অনুমোদিত হয় না — এটা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের নিয়মের অংশ এবং এটা সব বৈধ প্ল্যাটফর্মেই থাকে।
পেমেন্টের নিরাপত্তার বিষয়ে বললে — 87bajee প্রতিটি লেনদেনে ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করে। এর মানে হলো আপনার পেমেন্টের তথ্য এনক্রিপ্টেড অবস্থায় পাঠানো হয়, কেউ মাঝপথে পড়তে পারবে না। এছাড়া প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রের জন্য আলাদা কনফার্মেশন কোড ব্যবহার করা হয় যা শুধু একবারের জন্য কার্যকর।
পেমেন্ট সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যায় 87bajee-এর সাপোর্ট টিম ২৪/৭ কাজ করে। ডিপোজিট আটকে গেলে ট্রান্সকশন আইডি ও স্ক্রিনশট নিয়ে লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন — বেশিরভাগ সমস্যা ১ ঘণ্টার মধ্যে সমাধান হয়।
বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট সম্পন্ন হলে ২–৫ মিনিটেই ব্যালেন্স যোগ হয়, দীর্ঘ অপেক্ষা নেই।
87bajee-এ ডিপোজিট ও উইথড্র উভয়ই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে — কোনো লুকানো চার্জ নেই।
বিকাশ, নগদ ও রকেট — বাংলাদেশের ৯০% মানুষ ব্যবহার করেন এমন পদ্ধতি সরাসরি সাপোর্ট করে।
পেমেন্ট বিষয়ক সমস্যার জন্য আলাদা টিম আছে যারা গড়ে ৩ মিনিটে সাড়া দেয়।
পেমেন্ট নিয়ে খেলোয়াড়দের সবচেয়ে কমন প্রশ্নগুলো
87bajee-এ নিবন্ধন করুন, বিকাশে ডিপোজিট করুন এবং সঙ্গে সঙ্গে বোনাস পান।